(ক) মিস মামলাঃ
কোন ঋণ কেইস খেলাপী হলে বকেয়া পাওনা আদায়ের জন্য গ্রহীতার সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ
করা হয়। পর্যায়কমে গ্রহীতকে (অবস্থা ভেদে) প্রথম, দ্বিতীয় , তৃতীয় তাগাদাপত্র,
লিগ্যাল নোটিশ, চূড়ান্ত নোটিশ ইত্যাদি ইসুকরা হয়। এর পরও বকেয়া পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট ঋণ কেইসে মিস (Miscellaneous)
মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আরজীতেকর্পোরেশনের
সমূদয় পাওনা এবং ঋণ পরিশোধ কালতক ত্রে বিশেষ ২%/৩% অতিরিক্ত সুদসহ ডিক্রি দাবী করা
হয়।
|
i ) |
মিস মামলা চলাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট গ্রহীতা মামলা খরচসহ বকেয়া পাওনার মাত্র ১৫%
(বর্তমানে ১৫% পরিবর্তনযোগ্য) জমা দিয়ে রিসিডিউল /সোলে গ্রহণ করে গ্রহণ করে ঋণ
হিসাব নিয়মিত করতে পারেন। |
|
ii ) |
মামলাধীন ঋণ কেইসে সোলেনামার মাধ্যমে রিসিডিউল গ্রহণের জন্য জমার টাকা কিস্তিতে
পরিশোধ করা যায়। প্রথম জমার ৬০ দিনের মধ্যে অবশিষ্ট জমাতব্য টাকা পরিশোধ করা যায়।
|
|
iii ) |
মামলাধীন ঋণ কেইস সোলে হওয়ার পরও ৩ কিস্তি বকেয়া হলে মামলা পূনরুজ্জীবতি করা হয়।
|
(খ) জারী মামলাঃ
মিস মামলা রায় প্রাপ্ত হওয়ার পর কর্পোরেশন জারী মামলা ( Executive
Case) দায়ের করে
থাকে ডিক্রি/রায় প্রাপ্ত সমূদয় পাওনা আদায়ের জন্য জারী মামলা দায়ের করা হয়।
| i ) |
জারী মামলা চলাকালীন সময়ে সোলেনামার মাধ্যমে রিসিডিউল গ্রহনের পূর্ব মাস পর্যন্ত
ডিক্রি অনুযায়ী বকেয়া পাওনার ১৫% (বর্তমানে ১৫% পরিবর্তনযোগ্য) জমা দিয়ে রিসিডিউল
করে গ্রহণ করা যায়। |
| ii ) |
এ
ক্ষেত্রেও
রিসিডিউলের জন্য জমাতব্য টাকা উপরিউল্লিখিত একই নিয়মে কিস্তিতে জমা
করা যায়। |
| iii ) |
এক্ষেত্রেও কিস্তি বকেয়া/খেলাপী হলে মামলা পুনরুজ্জীবিত করা হয়। |
| iv ) |
জারী মামলার মাধ্যমে পর পর তিন বার কোর্টের মাধ্যমে নিলামে বিক্রয়ের জন্য
টেন্ডার আহবান করে বাড়ি বিক্রয় করা হয়। যদি ক্রেতা না পাওয়া যায় তবে পাউন্ডেজ ফি এর
মাধ্যমে কর্পোরেশন কোর্টি হতে বাড়ী ক্রয় করে নেয়। তখন উহা কর্পোরেশন এর নিজস্ব
সম্পত্তিতে পরিনত হয়। |
| v ) |
জারী মামলার রায় প্রাপ্ত হলে কর্পোরেশন আদালত হতে বিক্রয় সনদ ও দখলী স্বত্ব
সংগ্রহ করে থাকে এবং কোর্টের মাধ্যমে নিলামের ব্যবস্থা করে থাকে। |
| vi ) |
নিলামে কর্পোরেশনের পাওনা মূল্য পাওয়া সর্বোচ্চ দরদাতার নিকট সংশ্লিষ্ট ঋণযুক্ত
বাড়িটি বিক্রয় করা হয়। |
| vii ) |
নিলামে কর্পোরেশনের পাওনা মূল্যের সমান ডাক পাওয়া না গেলে নেগেসিয়েশনের
মাধ্যমে বাড়িটি বিক্রয়ের প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়। |
মালিকানা হস্তান্তর, ঋণ বিভাজন, দ্বিতীয় মর্টগেজ এবং অবমুক্তি
| ১) |
ঋনমুক্ত
বাড়ির মালিকানা হস্তান্তরের
সুযোগ রয়েছে। কর্পোরেশনের অনুমোদন সাপেক্ষে ঋণ
গ্রহীতা ঋণযুক্ত বাড়ির মালিকানা তথা পরিশোধের দায় ভার হস্তান্তর করতে পারেন। একটি
ঋণযুক্ত বাড়ির মালিকানা তথা ঋণ পরিশোধের দায়ভার কর্পোরেশনের অনুমোদন
সাপেক্ষেঋণ
গ্রহীতার ওয়ারিশ বা অন্য কোন ব্যক্তির মধ্যে ভাগ করে দেওয়া যায়। ঋণের পাওনা পরিশোধ
সহজ করার স্বার্থে কর্পোরেশন ঋণ বিভাজনের এই সুযোগ দিয়ে থাকে। |
| ২) |
করর্পোরেশনের ঋণ পরিশোধের
সুবিধা সৃষ্টির লক্ষে গ্রহীতার অতিরিক্ত আয় সৃষ্টির জন্য
করর্পোরেশনের এর অনূকুলে বন্ধকী সম্পত্তি কেইস-টু-কেইস ভিত্তিতে দ্বিতীয় মটগেজের
অনুমতি দিয়ে থাকে। |
| ৩) |
ক্ষেএ বিশেষ কর্পোরেশনের অনুকুলে কর্পোরেশনের ভবিষ্যত্ পাওনার অতিরিক্ত বন্ধকী
সম্পত্তি যা ঋণ পরিশোধ গ্রহীতার অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ করে দিতে পারে এরূপ সম্পত্তি
কেইস-টু-কেইস ভিত্তিতে অবমুক্তির সুযোগ রয়েছে। |
গ্রাহক সেবাঃ
| ১) |
ঋণগ্রহণ এবং অন্যান্য কাজের জন্য কর্পোরেশনের সর্ব প্রকার বিক্রয়যোগ্য ফরম
(Price Form) কতগুলো নির্ধারিত ব্যাংকের &
| |