যোগাযোগঃ
২২, পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ৮৮-০২-৯৫৬১৩১৫,
৮৮-০২-৯৫৬২৭৬৭
ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৯৫৬১৩২৪
ই-মেইলঃ bhbfc@bangla.net

(ক) মিস মামলাঃ
কোন ঋণ কেইস খেলাপী হলে বকেয়া পাওনা আদায়ের জন্য গ্রহীতার সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ করা হয়। পর্যায়কমে গ্রহীতকে (অবস্থা ভেদে) প্রথম, দ্বিতীয় , তৃতীয় তাগাদাপত্র, লিগ্যাল নোটিশ, চূড়ান্ত নোটিশ ইত্যাদি ইসুকরা হয়। এর পরও বকেয়া পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট ঋণ কেইসে মিস (Miscellaneous) মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আরজীতেকর্পোরেশনের সমূদয় পাওনা এবং ঋণ পরিশোধ কালতক ত্রে বিশেষ ২%/৩% অতিরিক্ত সুদসহ ডিক্রি দাবী করা হয়।
i )
মিস মামলা চলাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট গ্রহীতা মামলা খরচসহ বকেয়া পাওনার মাত্র ১৫% (বর্তমানে ১৫% পরিবর্তনযোগ্য) জমা দিয়ে রিসিডিউল /সোলে গ্রহণ করে গ্রহণ করে ঋণ হিসাব নিয়মিত করতে পারেন।
ii )
মামলাধীন ঋণ কেইসে সোলেনামার মাধ্যমে রিসিডিউল গ্রহণের জন্য জমার টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করা যায়। প্রথম জমার ৬০ দিনের মধ্যে অবশিষ্ট জমাতব্য টাকা পরিশোধ করা যায়।
iii )
মামলাধীন ঋণ কেইস সোলে হওয়ার পরও ৩ কিস্তি বকেয়া হলে মামলা পূনরুজ্জীবতি করা হয়।

(খ) জারী মামলাঃ

মিস মামলা রায় প্রাপ্ত হওয়ার পর কর্পোরেশন জারী মামলা (Executive Case) দায়ের করে থাকে ডিক্রি/রায় প্রাপ্ত সমূদয় পাওনা আদায়ের জন্য জারী মামলা দায়ের করা হয়।
i )
জারী মামলা চলাকালীন সময়ে সোলেনামার মাধ্যমে রিসিডিউল গ্রহনের পূর্ব মাস পর্যন্ত ডিক্রি অনুযায়ী বকেয়া পাওনার ১৫% (বর্তমানে ১৫% পরিবর্তনযোগ্য) জমা দিয়ে রিসিডিউল করে গ্রহণ করা যায়।
ii )
এ ক্ষেত্রেও রিসিডিউলের জন্য জমাতব্য টাকা উপরিউল্লিখিত একই নিয়মে কিস্তিতে জমা করা যায়।
iii )
এক্ষেত্রেও কিস্তি বকেয়া/খেলাপী হলে মামলা পুনরুজ্জীবিত করা হয়।
iv )
জারী মামলার মাধ্যমে পর পর তিন বার কোর্টের মাধ্যমে নিলামে বিক্রয়ের জন্য টেন্ডার আহবান করে বাড়ি বিক্রয় করা হয়। যদি ক্রেতা না পাওয়া যায় তবে পাউন্ডেজ ফি এর মাধ্যমে কর্পোরেশন কোর্টি হতে বাড়ী ক্রয় করে নেয়। তখন উহা কর্পোরেশন এর নিজস্ব সম্পত্তিতে পরিনত হয়।
v )
জারী মামলার রায় প্রাপ্ত হলে কর্পোরেশন আদালত হতে বিক্রয় সনদ ও দখলী স্বত্ব সংগ্রহ করে থাকে এবং কোর্টের মাধ্যমে নিলামের ব্যবস্থা করে থাকে।
vi )
নিলামে কর্পোরেশনের পাওনা মূল্য পাওয়া সর্বোচ্চ দরদাতার নিকট সংশ্লিষ্ট ঋণযুক্ত বাড়িটি বিক্রয় করা হয়।
vii )
নিলামে কর্পোরেশনের পাওনা মূল্যের সমান ডাক পাওয়া না গেলে নেগেসিয়েশনের মাধ্যমে বাড়িটি বিক্রয়ের প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়।

মালিকানা হস্তান্তর, ঋণ বিভাজন, দ্বিতীয় মর্টগেজ এবং অবমুক্তি
১)
ঋনমুক্ত বাড়ির মালিকানা হস্তান্তরের সুযোগ রয়েছে। কর্পোরেশনের অনুমোদন সাপেক্ষে ঋণ গ্রহীতা ঋণযুক্ত বাড়ির মালিকানা তথা পরিশোধের দায় ভার হস্তান্তর করতে পারেন। একটি ঋণযুক্ত বাড়ির মালিকানা তথা ঋণ পরিশোধের দায়ভার কর্পোরেশনের অনুমোদন সাপেক্ষেঋণ গ্রহীতার ওয়ারিশ বা অন্য কোন ব্যক্তির মধ্যে ভাগ করে দেওয়া যায়। ঋণের পাওনা পরিশোধ সহজ করার স্বার্থে কর্পোরেশন ঋণ বিভাজনের এই সুযোগ দিয়ে থাকে।
২)
করর্পোরেশনের ঋণ পরিশোধের সুবিধা সৃষ্টির লক্ষে গ্রহীতার অতিরিক্ত আয় সৃষ্টির জন্য করর্পোরেশনের এর অনূকুলে বন্ধকী সম্পত্তি কেইস-টু-কেইস ভিত্তিতে দ্বিতীয় মটগেজের অনুমতি দিয়ে থাকে।
৩)
ক্ষেএ বিশেষ কর্পোরেশনের অনুকুলে কর্পোরেশনের ভবিষ্যত্‍ পাওনার অতিরিক্ত বন্ধকী সম্পত্তি যা ঋণ পরিশোধ গ্রহীতার অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ করে দিতে পারে এরূপ সম্পত্তি কেইস-টু-কেইস ভিত্তিতে অবমুক্তির সুযোগ রয়েছে।

গ্রাহক সেবাঃ
১)
ঋণগ্রহণ এবং অন্যান্য কাজের জন্য কর্পোরেশনের সর্ব প্রকার বিক্রয়যোগ্য ফরম (Price Form) কতগুলো নির্ধারিত ব্যাংকের শাখার (উপরিউল্লিখিত তালিকাভূক্ত ব্যাংকের শাখা) পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জোনাল/রিজওনাল অফিস হতেও সংগ্রহ করা যায়। বিভিন্ন প্রকার ফি এর টাকাও ব্যাংকের পাশাপশি সংশ্লিষ্ট/রিজওনাল অফিসে জমা দেওয়া যায়।
২)
সম্ভাব্য ঋণ গ্রহীতা ও বর্তমান ঋণ গ্রহীতাদের ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধ বিষয়ে পরামর্শের জন্য কাউন্সেলিং সেল রয়েছে।

রায় প্রাপ্ত ও জারী মামলাধীন কেইসে ঋণ পরিশোধের বিশেষ সুযোগ
১)
মিসমামলায় রায় প্রাপ্ত এবং জারী মামলাধীন ঋণ কেইসে মামলা খরচসহ এককালীন সমূদয় পাওনা পরিশোধ করলে রায় অনুযায়ী সুদ চার্জ না করে রেহেন দলিলেউল্লিখিত হারে অথবা সরকার কর্তৃক ঘোষিত সুদের হার অনুযায়ী সুদ চার্জ করা হয়।

মেয়াদের পূর্বে এবং অতিরিক্ত টাকা জমাঃ
১)
ঋণ পরিশোধের নির্দিষ্ট মেয়াদের পুর্বে ঋণ পরিশোধ করলে রিডিউসিং ব্যালান্সের পুরো মেয়াদের জন্য সুদ চার্জ করা হয় না। শুধু ভোগকৃত বা ঋণ ব্যবহারের মেয়াদের উপর সুদ চার্জ করা হয়।
২)
নিয়মিত কিস্তির অতিরিক্ত টাকা জমা করলে অতিরিক্ত জমাকৃত টাকা সরাসরি আসল হতে বাদ দিয়ে আসলের অবশিষ্ট ব্যালন্সের উপর সুদ চার্জ করা হয়।

ঋণ এবং সুদ মওকুফঃ
কর্পোরেশনে সুদ বা আসলের টাকা মওকুফের কোন বিধান নেই। ফলে জন্মলগ্ন হতে অদ্যাবধি কোন ঋণের সুদ অথবা আসল মওকুফ করা হয়নি।

ঋণ আদায়ঃ কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ২০০৪-২০০৫ অর্থবছর পর্যন্ত পুঞ্জীভূত আদায়যোগ্য ঋণের পরিমান ছিল ৩৫৫১.৯৯ কোটি টাকা এবং তন্মধ্যে আদায়কৃত ঋণের পরিমান ৩২৬০.৬৪ কোটি টাকা । ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে আদায়যোগ্য ঋণের পরিমান ৬৩০.৮৯ কোটি টাকা। তন্মধ্যে আদায়কৃত টাকার পরিমান ৩০৯.৫৭ কোটি টাকা।

কর্মীবাহিনীঃ৩০ জুন, ২০০৭ তারিখে কর্পোরেশনের কর্মী সংখ্যা ৪৫২ (১৯৯৪ সালে সরকার অনুমোদিত সংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী জনবল ৭২৫ জন) জন যার মধ্যে ২৭১ জন বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা এবং ১৮১ জন বিভিন্ন স্তরের কর্মচারী। বিভিন্ন স্তরের ১০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী অবসর গ্রহণ এবং ২ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্মকালীণ সময়ে মৃত্যুবরন করেন। ১৯৯৪ সালে মঞ্জুরীকৃত জনবল যে কার্য--পরিধির উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়েছিলো সে কার্য-পরিধি বহুগুন বৃদ্ধি পেলেও জনবল ৩৭.৬৬% হ্রাস পেয়েছে। এ অবস্থায় পরিচালনগত ফলাফলের উন্নতিকল্পে কর্পোরেশনে কর্মরত কর্মীবাহিনীকে কাজে- কর্মে আরো উত্‍সাহিত ও দ করার ল্যে পূর্বের ন্যায় এ অর্থ বছরেও পুরস্কার প্রদানসহ প্রশিনের ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, মোটি জনশক্তির সংখ্যা ৯০ এর দশক থেকে ক্রমাগত হ্রাস পেয়েই চলছে। ১৯৯০-৯১ সালে জনশক্তির সংখ্যা ছিল ৬৭৫ জন বর্তমানে তা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়ে আলোচ্য অর্থ বছরে দাড়ায় ৪৫২ জন, যা উক্ত সময়সীমার সর্বনিম্ন -যদিও সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী অনুমোদিত জনবল ৭২৫ জন। ক্রমহ্রাসমান জনবল দিয়ে ক্রমবধমান কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে প্রশিণের উপর প্রয়োজনীয় গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে।

অডিট আপত্তিঃ বাণিজ্যিক অডিট অধিদপ্তর কর্তৃক উত্থাপিত কর্পোরেশনের পুঞ্জীভূত অডিট আপত্তি সমূহ দীর্ঘদিন হতে অনিস্পন্ন অবস্থায় ছিল। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিদের্শনায় অডিট আপত্তিসমূহকে ১৯ ক্যাটাগরীতে বিভক্ত করে নিষ্পত্তির উদ্যোগে গ্রহণ করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিদের্শনা ও পরামর্শ এবং বানিজ্যিক অডিট অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালতি ২০০২-২০০৩ অর্থবছরে ক্র্যাশ প্রোগ্রামের আওতায় অনুষ্ঠিত দ্বি-পীয় ও ত্রি-পীয় সভার দীর্ঘদিনের বানিজ্যিক অডিট আপত্তিসমূহ নিস্পত্তির জন্য ব্যতিক্রমি ও সফল এক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ফলে বিপুল সংখ্যক অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি করা সম্ভবপর হয়।

১৯৯৭১-১৯৭২ সাল হতে ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর পর্যন্ত কপের্ারেশনের পুঞ্জীভূত অডিট আপত্তির সংখ্যা ১৪৮৫৭টি ৩০শে জুন ২০০৬ তারিখে অনিসম্পন্ন অডিট আপত্তির সংখ্যা বিপুল পরিমানে হ্রাস পেয়ে দাড়িয়েছে ২০৩ টিতে ।

অবশিষ্ট অডিট আপত্তি সমূহ নিরসনের জন্য এবং একই ধরনের আপত্তি যাতে পুনরায় উত্থাপিত না হয় সে জন্য সক্রিয় প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়েছে। ৩০শে জুন ২০০৬ তারিখে অনিসম্পন্ন অডিট আপত্তির সংখ্যা দাড়িয়েছে ২০৩ টিতে (১৯ ক্যাটাগরীর আপত্তি একীভূতকরণের পরের সংখ্যা দাড়িয়েছে ২০৩ টি) এবং ২০০৬-২০০৭ অর্থবছরে অনিষ্পন্নত আপত্তির সংখ্যা দাড়িয়েছে ২২২ টি( ১৯ ক্যাটাগরীতে সদস্য ২১৩ টি) এখানে উল্লেখ্য , বড় ধরনের কোন আর্থিক অথবা প্রশাসনিক অনিয়মের জন্য এ আপত্তি সমূহ উত্থাপিত হয়নি।

অর্থায়নে ভবিষ্যত্‍ সম্ভবনাঃ গৃহায়নে গতি ত্বরান্বিত করার ল্যে সমাজের বিভিন্ন আর্থিক শ্রেণীতে বিভক্ত গনগোষ্ঠীর মধ্যে চাহিদানুযায়ী গৃহগায়ন ঋণ কিংবা আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার জন্য সরকারী/বে-সরকারী সকল ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এনজিও ইত্যাদি সকল প্রকার প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্ত সম্পদ, নেট-ওয়ার্ক ও জনবলের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত, সুষম ও ধারাবাহিক কার্যক্রম অজান্তেই শুরু হয়। দেশব্যাপী বিভিন্ন আর্থিক শ্রেণীতে বিভাজিত বিপুল জনগোষ্ঠীর নানামূখী গৃহায়ন চাহিদা পরিপূরনের মহত্‍জাতীয় লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্ত গৃহায়নে অংশ গ্রহনে উপযোগী সকল শ্রেণীর প্রতিষ্পঠানসমূহের সহায়-সম্পদ, সংগঠন ও সামর্থ্যকে ব্যবহারের একটি প্রস্তাবনা নীচে রতি সারনীতে প্রদর্শণ করা হলোঃ

প্রতিষ্ঠান
শ্রেণী বিভাজন
(টার্গেট গ্রুপ)
এলাকা
আবাসনের ধরন
1
2
3
4
১। সরকারী -বেসরকারী ব্যাংক, লীজিং কোম্পানী, রিয়েল এষ্টেট এন্ড হাউজিং কোম্পানী
  • উচ্চবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত
  • মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত
  • মেট্রো শহরসমূহ
  • মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত
  • উপ-জিলা
  • বাণিজ্যিক ভবন
  • বাণিজ্যিক কাম আবাসিক
  • ভবন
  • আবাসিক ভবন
২। বিএইচবিএফসি
  • মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত
  • মেট্রো শহরসমূহ
  • জিলা শহরসমূহ
আবাসিক ভবন
ফ্যাট
সেমি-পাকা বাড়ী
৩। এনজিও
  • নিম্নবিত্তও দরিদ্র শ্রেণী
  • উপ-জেলা
  • ইউনিয়ন
  • গ্রাম
স্বল্প-ব্যয়ের আবাসিক
ভবন/ফ্যাট
টিনশেড ভবন
কাঁচাভবন
৪। সরকারী ব্যবস্থাপনা
  • হত দরিদ্র
  • যে কোন এলাকা
টিনশেডভবন, কাঁচাভবন শেল্টার
প্রকল্প ইত্যাদি।

২০০৫-২০০৬ সলের নির্ধারিত লক্ষ্য মাত্রা
i) আদায়ঃ ৩৬৮.৯৬ কোটি টাকা।
ii) ঋণ  মঞ্জুরী ১৩৫.৬৮ কোটি টাকা।
বিতরন-১০৮.২০ কোটি টাকা (২০০৬-২০০৭ অর্থবছরে)
iii)  বিভিন্ন দায় বাবদ পরিশোধতব্য টাকা = ১৯৫.৭৭ কোটি টাকা।
নতুন গৃহীত সিদ্ধান্ত

উপসংহারঃ উপরে বর্ণিত উন্নয়ন ও সংস্থারমূলক পদক্ষেপের ফলে কর্পোরেশনের সার্বিক কর্মকান্ডে আশানুরুপ গতি সঞ্চারিত হয়। তবে বর্তমান আবস্থায় প্রতীয়মান হয় যে, কর্পোরেশনের আর্থিক ভিত তূলনামূলকভাবে দুর্বল। এই ভিত্তি সুদ কাঠামোর উপর দাঁড় করানো অত্যাবশ্যক। সেই ল্যে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে কর্তৃপ অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বেসরকারী খাতে সহায়তা গ্রদান করেছে। নিঃসন্দেহে ঋণ খাতে কর্পোরেশনে এ অবদান সকল কর্মকর্তা- কর্মচারীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার-ই ফসল। সম্মানিত ঋণ গ্রহীতাদের কষ্টার্জিত সঞ্চয় ও অকান্ত পরিশ্রমের ফসল এ ১৪৮০০৭৯ ইউনিট বাড়ী-ফ্যাট। যেখানে ১১.৫২ ল বাসিন্দা অপোকৃত উন্নত পরিবেশ বসবাসের সুযোগ পেয়েছে। সম্মানিত ঋণ গ্রহীতাদের এ অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরনীয় ঋণ গ্রহীতাবৃন্দ পূর্বের ন্যায় সাহায্য-সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে-এ প্রত্যাশায়।