যোগাযোগঃ
২২, পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ৮৮-০২-৯৫৬১৩১৫,
৮৮-০২-৯৫৬২৭৬৭
ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৯৫৬১৩২৪
ই-মেইলঃ bhbfc@bangla.net

ঋণের কিস্তি পরিশোধঃ
১) মাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে হয়।
২)
কর্পোরেশন কতৃক নির্ধারিত কতগুলো ব্যাংকের নির্ধারিত শাখার ঋণ পরিশোধের কিস্তির টাকা জমা করতে হয়। ব্যাংকগুলোর শাকা হলো-
সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা, জনতা ব্যাংক পুরানা পুরানা পল্টন শাখা, ঢাকা ন্যাশনাল ব্যাংক কে. ডি. এ. এভিনিউ শাখা, খুলনা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা।

নির্মাণকালীন সুদ আদায়ঃ
১)
সাধারণতঃ ঋণের প্রথম কিস্তির চেক গ্রহণের পর ১৩ তম মাস হতে ঋণ পরিশোধের কিস্তি শুরু হয়। তবে চেক গ্রহণ বিলম্বিত হলে শেষ চেক গ্রহণের ১ মাস পর হতে ঋণ পরিশোধ কিস্তি শুরু হয়।
২)
বাড়ি  নির্মাণকালীন সময়ে উত্তোলিত ঋণের উপর চার্জকৃত সুদ ( আই. ডি. সি. পি.) এককালীন পরিশোধ করা যায়। তবে গ্রহীতা ইচ্ছা করলে ঋণ পরিশোধের সমগ্র মেয়াদেও মাসিক কিস্তির সাথে আই. ডি. সি. পি পরিশোধ করতে পারেন।
৩)
বাড়ি নির্মানকালীন সুদ বা আই. ডি. সি. পির সমগ্র ঋণ পরিশোধকালীণ সময়ে সুদ চার্জ করা হয়। প্রদত্ত ঋণের উপর সার্ভিস বা অন্য কোন চার্জ গ্রহণ করা হয় না। অর্থাত্‍ আই.ডি.সি.পিকে আসলে রুপান্তর করা হয় না (পরিবর্তনযোগ্য)।

ঋণ গ্রহন ও সুদ চার্জঃ
১)
বাড়ীর কাজের অগ্রগতির উপর ভিত্তি করে ৪/৫ টি কিস্তিতে চেক / ঋন প্রদান করা হয়।
২)
শুধু উত্তোলিত ঋণের উপর সুদ চার্জ করা হয়। কখনই খেলাপী ঋণের সুদের কিস্তির উপর সুদ চার্জ করা হয় না। এ ছাড়াও চার্জকৃত কিস্তি অপরিশোধিত (পরবর্তীতে পরিশোধ্য) সুদের উপরো সুদ চার্জ করা হয় না । অর্থাত্‍ কর্পোরেশন প্রদত্ত ঋণের উপর সরল সুদ চার্জ করে, কখনই সুদের উপর সুদ চার্জ করে না।
৩)
ঋণের রিডিউসিং ব্যালান্স বা অবশিষ্ট ঋণের উপর সুদ চার্জ করা হয়। প্রদত্ত ঋণের উপর সার্ভিস বা অন্য কোন চার্জ গ্রহন করা হয় না।

কিস্তি পরিশোধ ও ইনসেনটিভঃ
১)
প্রতি মাসের কিস্তি প্রতি মাসে নিয়মিত পরিশোধ করার অংগীকারের মাধ্যমই ঋণ প্রদান করা হয়। এ অংগীকার ভংগ করলে নানারকম ঝামেলায় পড়তে হয় এবং নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ সম্ভবপর হয় না।
২)
বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন হারে, বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইনসেনটিভ প্রদান করে আসছে এ কর্পোরেশন। ২০০৩-২০০৪ অর্থবছরে শুধুমাত্র কিস্তি শুরুর পূর্বে নির্মাণকালীন সম্পূর্ণ সুদ পরিশোধ করলে উক্ত সুদের ৫% ইনসেনটিভ প্রদান করার বিধান রয়েছে।

খেলাপী ঋণ নিয়মিতকারণঃ
১)
বাস্তবিক কিছু সমস্যার কারণে গ্রহীতা যদি নিয়মিত ঋণ পরিশোধ ব্যর্থ হন এবং খেলাপী হয়ে পড়েন তবে খেলাপী হওয়ার যথাযথ কারণ থাকলেই স্বাভাবিক ঋণ কেইসে (মামলাধীন নয় এরূপ বার রিসিডিউল প্রদান করা হয়।
২)
ঋণ পরিশোধের আচরণ, অবশিষ্ট মেয়াদ এবং কর্পোরেশনের গ্রাহক সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে ৩য় বারও বকেয়া পাওনার মাত্র ১৫% (বর্তমানে ১৫% পরিবর্তনযোগ্য) খেলাপী ঋণ নিয়মিত করা যায়।
৩)
রিসিডিউল জন্য জামার টাকা কিস্তিতেও জমা করা যায়। প্রথম জমার ৬০ দিনের মধ্যে অবশিষ্ট জমাতব্য টাকা জমা করা যায় (পরিবর্তনযোগ্য)।
৪)
নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ না করা হলে এবং খেলাপীর পরিমান ১২ কিস্তির উপর হলে খেলাপী কিস্তির আসল টাকার উপর ৩% অতিরিক্ত সুদ চার্জ করা হয়।
৫)
রিসিডিউলকৃত কেইসে ১২ কিস্তি খেলাপী হলে মামলা দায়ের করা হয়।

ঋণ গ্রহন ও সুদ চার্জঃ
১)
বাড়ীর কাজের অগ্রগতির উপর ভিত্তি করে ৪/৫ টি কিস্তিতে চেক / ঋন প্রদান করা হয়।
২)
শুধু উত্তোলিত ঋণের উপর সুদ চার্জ করা হয়। কখনই খেলাপী ঋণের সুদের কিস্তির উপর সুদ চার্জ করা হয় না। এ ছাড়াও চার্জকৃত কিস্তি অপরিশোধিত (পরবর্তীতে পরিশোধ্য) সুদের উপরে সুদ চার্জ করা হয় না । অর্থাত্‍ কর্পোরেশন প্রদত্ত ঋণের উপর সরল সুদ চার্জ করে, কখনই সুদের উপর সুদ চার্জ করে না।
৩)
ঋণের রিডিউসিং ব্যালান্স বা অবশিষ্ট ঋণের উপর সুদ চার্জ করা হয়। প্রদত্ত ঋণের উপর সার্ভিস বা অন্য কোন চার্জ গ্রহন করা হয় না।

কিস্তি পরিশোধ ও ইনসেনটিভঃ
১)
প্রতি মাসের কিস্তি প্রতি মাসে নিয়মিত পরিশোধে করার অংগীকারের মাধ্যমই ঋণ প্রদান করা হয়। এ অংগীকার ভংগ করলে নানারকম ঝামেলায় পড়তে হয় এবং নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ সম্ভবপর হয় না।
২)
বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন হারে, বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইনসেনটিভ প্রদান করে আসছে এ কর্পোরেশন। ২০০৩-২০০৪ অর্থবছরে শুধুমাত্র কিস্তি শুরুর পূর্বে নির্মাণকালীন সম্পূর্ণ সুদ পরিশোধ করলে উক্ত সুদের ৫% ইনসেনটিভ প্রদান করার বিধান রয়েছে।

খেলাপী ঋণ নিয়মিতকারণঃ
১)

বাস্তবিক কিছু সমস্যার কারণে গ্রহীতা যদি নিয়মিত ঋণ পরিশোধ ব্যর্থ হন এবং খেলাপী হয়ে পড়েন তবে খেলাপী হওয়ার যথাযথ কারণ থাকলেই স্বাভাবিক ঋণ কেইসে (মামলাধীন নয় এরূপ কেইস বকেয়া পাওনার মাএ ১০% (বর্তমানে ১০% পরিবর্তনযোগ্য ) জমা দিয়ে গ্রহীতা ২ বার রিসডিউল গ্রহন করে ঋণ হিসাব নিয়মিত করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে  ঋণ পরিশোধের অবশিষ্ট মেয়াদ বিবেচনা করে রিসিডিউল প্রদান করা হয়।

২)
ঋণ পরিশোধের আচরণ, অবশিষ্ট মেয়াদ এবং কর্পোরেশনের গ্রাহক সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে ৩য় বারও বকেয়া পাওনার মাত্র ১৫% (বর্তমানে ১৫% পরিবর্তনযোগ্য) খেলাপী ঋণ নিয়মিত করা যায়।
৩)
রিসিডিউলের জন্য জমার টাকা কিস্তিতেও জমা করা যায়। প্রথম জমার ৬০ দিনের মধ্যে অবশিষ্ট জমাতব্য টাকা জমা করা যায় (পরিবর্তনযোগ্য)।
৪)
নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ না করা হলে এবং খেলাপীর পরিমান ১২ কিস্তির উপর হলে খেলাপী কিস্তির আসল টাকার উপর ৩% অতিরিক্ত সুদ চার্জ করা হয়।
৫)
রিসিডিউলকৃত কেইসে ১২ কিস্তি খেলাপী হলে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলা দায়ের ও ঋণ আদায়ঃ
১)
খেলাপী কিস্তির সংখ্যা ও পরিমান সহনযোগ্য মাত্রা অতিক্রম করলে সংশ্লিষ্ট ঋণ কেইসে বকেয়া/ সমূদয় পাওনা আদায়ের জন্য কর্পোরেশন মামলা দায়ের করে থাকে।