|
খাদ্য ও
বস্ত্রের পর মানুষের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো আশ্রয়ের বা বাসস্থানের যা প্রতিটি
মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। মানব জাতি যুগ যুগ ধরে আবাসন খাতে বিনিয়োগ করে আসছে
এবং বংশ পরষ্পরায় উক্ত বিনিয়োগের সূফল ভোগ করে আসছে। আবাসন শুধু একান্তেই বসবাসের
সুযোগ করে দেয় না বরং সুস্বাস্থ্য ও স্বাচ্ছন্দ প্রদান করে কর্ম ও উপার্জনের ভিত্তি
রচনা করতে সহায়তা প্রদান করে থাকে । এক কাথায় আবাসন সামাজিক স্থিতিশীলতায় অর্থনৈতিক
উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে আসছে। আবাসন খাতকে পরিবারের সর্বোচ্চ একক বিনিয়োগ
খাত হিসাবেও চিন্হিত
করা হয়েছে।
পরিবারের
মোট আয় ও আবাসন খাতে মোট ব্যয় সাধারণতঃ ধনাত্মক সর্ম্পকযুক্ত।
পরিবারের মোট আয়ের বৃদ্ধি উন্নত প্রযুক্তির আবাসন খাতের দিকে ধাবমান বিধায় আবাসন
সমস্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশে আবাসন খাতে পরিবারের মোট ব্যয়ের ১৬% ( যা ৭%
থেকে ২৫% পর্যন্ত বিস্তৃত) হলেও গ্রামে ৮% ( যা ৫% থেকে ২৫% পর্যন্ত বিস্তৃত ) ব্যয়
করে থাকেন। বিশ্বের দরিদ্রতম দেশের অন্যতম দেশের পরিবারের কষ্টার্জিত মোট আয় হতে
তিলে তিলে সঞ্চয় গড়ে তুলে পরিবারের সর্ব্বোচ্চ
একক বিনিয়োগ করে থাকে গৃহায়ন খাতে যা ভবিষ্যত্
প্রজন্মেরও (বংশানুক্রমিক ) আর্থিক স্বচ্ছলতা সুনিচিত করে থাকে।
সময়ের
বিবর্তনে শুধুমাত্র কষ্টার্জিত সঞ্চয় বিনিয়োগ করেই নয় বরং ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে ও
বিনিয়োগ করতঃ আবাসন
খাতের উন্নয়নে এগিয়ে আসে। পঞ্চাশ দশকের প্রথমাংশেই
প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ সহায়তা নিয়ে তত্কালীণ
সরকার এগিয়ে আসে। যদিও এ ঋণ প্রদানে তত্কালীণ
সময়ের সরকারকেও
ভর্তূকী
প্রদান করতে দেখা গেছে যা আজো প্রচলিত রয়েছে।
|